বাগমারা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে শুভেচ্ছা স্বারক প্রদান





রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার  জনাব শরীফ আহমেদ স্যারকে বাগমারা উপজেলার একমাত্র প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সাহার মেমোরিয়াল ডিসঅ্যাবল স্কুল এন্ড কেয়ার সেন্টার এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক ও ফুলের তোড়া দ্বারা  অভিনন্দন জানানো হয়।
 এখানে উল্লেখ্য যে বাগমারা উপজেলার অসহায় প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে অসহায় প্রতিবন্ধীদের কে বাংলাদেশের জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রণীত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০০৯ এর আলোকে বাগমারা উপজেলার একমাত্র প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় হিসেবে সৃজনী সমাজ কল্যাণ সংস্থার নিজস্ব উদ্যোগে ২০১৪ ইং সালে বাগমারা উপজেলার ০২ নং নরদাশ ইউনিয়নের ০৬ নম্বর ওয়ার্ড চণ্ডিপুর গ্রামে উক্ত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করে এবং দীর্ঘ পথ পরিক্রমার পর ২০১৬ সালে, তৎকালীন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় যুগ্ম সচিব মহোদয় জনাব এম এম সুলতান মাহমুদ স্যারের সরেজমিনে পরিদর্শন পূর্বক দাখিলকৃত প্রতিবেদনের ভিক্তিতে এবং উক্ত সালের সমাজ কল্্যান মন্ত্রণালয় সারা বাংলাদেশ থেকে ২০ টি প্রতিবন্ধী  স্কুলকে নীতিমালার আলোকেই স্বীকৃতি প্রদানের জন্য নথিভুক্ত করেন এবং উক্ত নথিতে রাজশাহী জেলার একমাত্র প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় হিসাবে বাগমারা উপজেলার এই সার মেমোরিয়াল ডিসঅ্যাবল স্কুল এন্ড কেয়ার সেন্টারের জায়গা হয় ১৬ নম্বরে জায়গা পাই।

 বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের পরপর ৪ বারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য জনাব মোঃ সেকেন্দার আলী দ্বিতীয় পত্র মোঃ গোলাম মোস্তফা বলেন বিদ্যালয়টি অনেক কষ্ট করে ২০১৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন লোকের লোকজনের কটু কথা উপেক্ষা করে আমরা আমাদের শিক্ষক-কর্মচারীরা যেভাবে উদ্দ্যোমতার সহিত  ধৈর্য ধারণ করে এই প্রতিবন্ধীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে আমি মনে করি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অচিরেই এই প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর এমপিওর বিষয়ে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং আমাদেরকে এই সমাজের অবহেলিত এই জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে তাদের শিক্ষা ও সেবার মাধ্যমে  তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে তাদেরকে দেশের কর্মক্ষম ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার মত সুযোগ সৃষ্টি করতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যা।। ইনশাল্লাহ মহান আল্লাহপাক আমাদের সাথে আছেন এই বলে তিনি বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের সহযোগিতায় ও সৃজনী সমাজ কল্যাণ সংস্থার অর্থায়নে এবং নিজ প্রচেষ্টায় প্রায় 53 শতাংশ জমির উপর ১০ রুম বিশিষ্ট   একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে,, যার পাঁচ রুমের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং যেখানে বর্তমানে আমরা আমাদের এই প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কে একটু হলেও উন্নত পরিবেশ শিক্ষার দানের ব্যবস্থা করার সুযোগ করেছি। এবং আমি মনে করি সরকারের সর্বোচ্চ সহানুভূতি পেলে এবং সরকারের বিভিন্ন অফিস-আদালতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা এবং সুদৃষ্টি পেলে এবং সমাজের বিত্তবানরা যদি এই প্রতিবন্ধীদের ভাগ্য পরিবর্তনের এই কাজে সর্বোচ্চ পরিমাণ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে হয়তোবা জননীতির সেই কাঙ্খিত কাঙ্খিত লক্ষ্য কর্মক্ষম ব্যক্তিত্বে পরিণত করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কাজে লাগানো সেটা 100% সম্ভব হবে যা আমাদেরকে যা আমরা বিশ্বাস করি আমাদের বিগত দিনের কার্যকলাপ থেকে যে ফল আজ পর্যন্ত আমরা পেয়েছি এই প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তাতে আমরা মনে করি যদি তাদেরকে আধুনিক বিভিন্ন প্রযুক্তির সাহায্যে আধুনিক বিভিন্ন যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জামাদির সাহায্যে তাদেরকে যদি নিয়মিতভাবে শিক্ষার এবং সেবার ব্যবস্থা করা যায় অর্থাৎ তাদের প্রাপ্য যে মৌলিক অধিকার বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সেটা যদি নিশ্চয়তা প্রদান করা যায় তাহলে তারা যে আর সরকারের দেশের বোঝা নয় তারাও যে সম্পদে পরিণত হতে পারে এটা আমি বিশ্বাস করি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু অনিল কুমার সরকার, দাতা সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সেকেন্দার আলী,  বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক হাসান, অফিস সহকারি আমজাদ হোসেন সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারী এবং এলাকার সুধীজন।
 এসময় নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে উক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শন সাপেক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নীতিমালা অনুসারে তাকে উক্ত বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

Comments

Popular posts from this blog

এই সেইপ্রদীপসাহা

জামিন না পেয়ে কারাগারে পরীমণি

এ যে জীবন নামের মরন পুরী