Posts

Showing posts from August, 2019
Image
শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের   গৃহীত সিদ্ধান্ত  বাস্তবায়ন করা গেলে অনেক শিক্ষক    কপাল পুড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।   শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, ‘নীতিমালাটির বিরুদ্ধে কয়েকজন রিট করায় এতদিন আমরা আইনটির বাস্তবায়ন করা যায়নি। এখন সেই বাধা কেটে যাওয়ায় আমরা সেটি বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছি।’’ শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করার নীতিমালা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে সরকার। ২০১২ সালে ওই নীতিমালাটি প্রণীত হলেও আইনি জটিলতায় এতদিন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তবে সেই জটিলতা কেটে যাওয়ার পর এখন সরকার নীতিমালাটি বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়েছে। নীতিমালাটি সাত বছরের পুরনো বলে সেটি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোচিং সেন্টারগুলো নজরদারির কার্যক্রমও শুরু হবে। উপমন্ত্রী বলেন, ‘২০১২ সালে ওই নীতিমালাটি করা হয়। এখন আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ায় সেটি কঠোরভাবে কার্যকরে যাচ্ছি। কিন্তু এই সাত বছরে কোচিং সেন্টারগুলোর অনেক পরিবর্তন এসেছে। তাই আমরা সেই নীতিমালাটি আরেকটু পর্যালোচনা করে দেখার উদ্যোগ নিয়েছি।’ তিনি বলে...

রাজশাহীর মেয়ে রাবেয়ার পরিশ্রমের গল্প

Image
আমারা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে যাচ্ছি এক আদম্য পরিশ্রমী  রাবেয়ার কথা।রাবেয়া রাজশাহীর মেয়ে রাবেয়া। রাজশাহী নগরীর আমচত্বর এলাকার বাসিন্দা। সন্তানদের নিয়েই তিনি সেখানেই বসবাস করেন। রাবেয়া জানান, তিনি কিছু দিন আগেও জানতেন না তাকে অটোরিক্সা চালক হবে। সংসার চালানো জন্যই তিনি অটোরিক্সা চালাচ্ছেন। এই পেশায় আসার বিষয়ে তিনি বলেন, উপায় নেই। ছোট ছোট ছেলে- মেয়ে। তাদের মুখে খাবার তুলে দিতে এর বিকল্প নেই। তা ছাড়া অপরের কাছে হাত পাতার চেয়ে অটো চালানো অনেক সম্মানের বলে তিনি জানান।: হাত না পেতে অটোচালনা অনেক সম্মানের মনে করেন পরিশ্রমী রাবেয়া। চার জননী অনেক দিন আগেই অন্য নারীকে বিয়ে করে স্বামী চলে গেছেন। তাই ছোট-মেয়েদের নিয়ে সংসারের বোঁঝা রাবেয়ার কাঁধেই। তাই জীবিকার তাগিদে রাবেয়াকে ঘুরাতে হচ্ছে অটোরিক্সার চাকা। প্রথম প্রথম লজ্জা হলেও এখন অটো চালাতে খারাপ লাগে না তার।তিনি আরে বলেন, স্বামী আরো একটি বিয়ে করে সেই নারীকে নিয়ে অন্য জায়গায় থাকে। সে এখানে আসেনা কোন খরচও দেয় না। উপায় না দেখে অটোরিক্সা চালানো শিখেছি। গত দুই মাস আগে থেকে একটু একটু করে অটো চালানো শিখেছি। এখন রাস্তায় অটো চালাতে পারেন তিনি।...

আমি কিন্তু সেনাপ্রধান হতে চাইনি।

Image
সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ –এর সভাপতি ও মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ । মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ বঙ্গবন্ধুর  রাজনৈতিক আদর্শের সৈনিক হিসেবে এবং সেই সময়ে যাকে বঙ্গবন্ধু সেনাপ্রধান এর দায়িত্ব নির্ভয়ে যার উপর নাস্ত করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে তারই নিয়ন্ত্রিত সেনাবাহিনীর হাতে বঙ্গবন্ধুর পরিবার সহ সকলকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে এ জাতী ইতিহাসে যে কলঙ্ক ময় অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছিল।তাই উনার সম্পর্কে, বা উনার সেদিনের ব্যার্থ তাকে উনি বিভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা করলেও, জনমনে অনেক অজানা প্রশ্ন থেকেই যায়। তিনি এখন বলছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধান হিসেবে তাকে নিয়োগ করা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের মস্ত বড় ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ –এর সভাপতি ও মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ। তিনি বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীর মধ্য থেকেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। আর আমি তখন ছিলাম সেনাপ্রধান। বঙ্গবন্ধু একটা মস্ত বড় ভুল করেছিলেন, সেটা হচ্ছে আমাকে সেনাপ্রধান করে আর জিয়াউর রহমানকে উপপ্রধান করে।’ মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে সেক্টর কমান্ডারস ফো...
বাগমারার বড় বিহানলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  তরুণ প্রজন্মের কাছে অতীব শ্রদ্ধা,, ও ভালোবাসার নাম জনাব মাহমুর রহমান মিলন ভাই।।    হৃদয়     বিলসেতি বিল প্রাকৃতিক ভাবে শতশত বছর থেকে দেশি মাছের আধার।অত্র বিলের চারপাশের মানুষের ধান ও অন্যান্য খাদ্যশষ্য সহ দেশি মাছের যোগানদাতা এই বিলসেতি বিল। বাগমারার বেশিরভাগ বিলই ধানি জমিতে পুকুর খনন ও মাছের প্রজেক্ট করার ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারাচ্ছে এবং নগদ পুঁজির লোভে দেশি মাছ দিন দিন আশ্রয় হারাচ্ছে আর তার ফলে বেকার হয়ে পড়ছে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা শতশত জেলে পরিবার। বিগত বছর দুয়েক থেকে এই বিলে প্রজেক্ট করার চেষ্টা হলে ও এখন ও সফল হয়নি,কিন্তু বিলের মাঝে কিছু খাস জমি সরকারি ভাবে একটি সমিতিকে লিজ প্রদান করা হলে কিছু স্বার্থান্বেশী মানুষ সমস্ত বিলেই  এ বছর পানি কমে যাওয়ার পর থেকে স্হানীয় জেলেদের মাছ ধরাতে বাঁধা প্রদান করছে। বিষয়টি মৎস্যজীবিরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমাকে জানালে প্রথমে উপজেলার মাসিক মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করি  এবং পরে  আমি মাননীয় জেলা প্রশাসকের মহোদয় বাগমারা উপজেলাতে জনসাধারণের সমস্যা শোনার...

রাজশাহীর সকল থানার ওসিকে সতর্কতা প্রদান

আসামি গ্রেপ্তারের পর নিয়মিত আদালতে সোপর্দ না করে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপস্থাপনের বিষয়ে রাজশাহীর সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) সতর্ক করেছেন আদালত। গতকাল সোমবার রাজশাহীর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মেহেদী হাসান তালুকদার এক আদেশে ওসিদের প্রতি এই সতর্কতা জারি করেছেন। আদেশে আদালত বলেছেন, সম্প্রতি বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আদালতের দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে, রাজশাহীর বিভিন্ন থানার ওসিরা আসামি গ্রেপ্তারের পর নিয়মিত আদালতে সোপর্দ না করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনারদের (এসি ল্যান্ড) নিকট উপস্থাপন করছেন। এরপর এসব ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট আইন-২০০৯ বিধান লঙ্ঘন করে আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিচ্ছেন, দেশের সংবিধান এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আদালতের এ আদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন-২০০৯ এর ৬ (১) ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই আইনে বলা হয়েছে যে, কেবল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য অপরাধ তার সামনে ঘটেছে এমন হয়ে থাকলে তিন...

এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত, বাদ বিএম (বিজনেস ম্যানেজমেন্ট)

কারিগরি স্তরের বিএম (বিজনেস ম্যানেজমেন্ট) বাদ দিয়ে এমপিওভুক্তকরণের তালিকা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্তের ফলে এ স্তরের কর্মরত শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা দেখা দিয়েছে।দেশে মোট স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিএম কলেজ রয়েছে ১ হাজার ৮৭৫টি। এর মধ্যে প্রায় ৭০০ প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত। অবশিষ্ট ১ হাজার ১৭৫টি ননএমপিও বিএম কলেজ রয়েছে। বিএম স্তরে দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা না পেয়ে তারা কাজ করছেন। আশা ছিল এবারের এমপিওভুক্ত হবার। কিন্তু জানা গেছে, এবারও এমপিওভুক্ত হচ্ছে না। তারা এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে তাদের জানানো হয়েছে, অর্থ সংকটের কারণে বিএম কলেজ এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হবে না। তবে ভবিষ্যতে এগুলো বিবেচনায় আনা হবে।বিএম কলেজের শিক্ষকরা বলেন, বিএম স্তরের কলেজগুলো কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। সরকারের কারিকুলাম মেনে তারা শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা করে। এমপিও করার ক্ষেত্রে বিএম কলেজগুলোকে অবহেলা করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।সর্বশেষ ২০১০ খ্রিষ্...

বাগমারার বহুল আলোচিত সেই বিলসেতী বিলে

Image
বাগমারার বড় বিহানলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  তরুণ প্রজন্মের কাছে অতীব শ্রদ্ধা,, ও ভালোবাসার নাম জনাব মাহমুর রহমান মিলন ভাই।।   তিনি উনার ইউনিয়নের বাগমারা উপজেলার বহুল আলোচিত   বিলসেতি বিল নিয়ে তার ফেসবুক পেজে একটি পোষ্ট দেন।সেখানে তিনি, আন্তরিকতার সাথে বিষয়টির মিমাংসার মাধ্যমে এলাকায় শান্তি স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষের এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টিি কামনা করেন।জনস্বার্থে পোস্টটিহুবুহু তুলে ধরা হলো। বাগমারার বিলসেতী বিলে প্রাকৃতিক ভাবে শতশত বছর থেকে দেশি মাছের আধার।অত্র বিলের চারপাশের মানুষের ধান ও অন্যান্য খাদ্যশষ্য সহ দেশি মাছের যোগানদাতা এই বিলসেতি বিল। বাগমারার বেশিরভাগ বিলই ধানি জমিতে পুকুর খনন ও মাছের প্রজেক্ট করার ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারাচ্ছে এবং নগদ পুঁজির লোভে দেশি মাছ দিন দিন আশ্রয় হারাচ্ছে আর তার ফলে বেকার হয়ে পড়ছে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা শতশত জেলে পরিবার। বিগত বছর দুয়েক থেকে এই বিলে প্রজেক্ট করার চেষ্টা হলে ও এখন ও সফল হয়নি,কিন্তু বিলের মাঝে কিছু খাস জমি সরকারি ভাবে একটি সমিতিকে লিজ প্রদান করা হলে কিছু স্বার্থান্বেশী মানুষ সমস্ত বিলেই...

বাগমারা নরদাশ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল মাঠের বেহাল অবস্থা August 26, 2019

Image
এইচ,এম, মোবারক (হাট গাঙ্গোপাড়া): শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা মানুষের মনকে প্রফুল্ল রাখে। সেই সাথে শরীরের নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায় শারিরিক এ কসরত। তাছাড়া বর্তমান সরকার শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি ও অনেক বেশি সচেতন। ফলে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে খেলাধুলার নানা আয়োজন করতে দেখা যায় ক্রীড়া প্রেমীদের। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একটি ফুটবল মাঠের নাম নরদাশ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ। এই মাঠে বিগত দিন গুলিতে স্থানীয় ভাবে উপজেলা ও জেলা ভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হতো। জানা গেছে, এই মাঠে খেলার জন্যে বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবল খেলোয়ার এবং খেলা দেখার জন্য প্রধান অতিথি হিসাবে এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ও বেশ কয়েক বার উপস্থিত ছিলেন। আরো জানা গেছে বনবন্ধু মো: জাহেদুর রহমান ইকবাল ও এক সময় হেলিকপ্টার নিয়ে এই মাঠে এসে নেমেছিলেন খেলা উপভোগ করার জন্য। সে সময় হাজারো দর্শক তাকে হাততালি দিয়ে অভিন্দন জানিয়েছিলেন। কিন্ত সেই মাঠের আজ এমন বেহাল দশা, যে মাঠের মধ্যে দিয়ে কোন মানুষ পায়ে হেঁটে যেতে পারছেনা। সামান্য বৃষ্টিতেই এই মাঠটি এখন ডোবায় পরিনত হয়ে যায়। মাঠের এমন অব...

উইকিলিকসের গোপন নথিতে তারেক

:: ভোরের পাতা ডেস্ক :: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার গোপন নথি প্রকাশ করেছে উইকিলিকস। গোপন নথিতে উঠে এসেছে নানা গোপন তথ্য। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আগে হুজি নেতারা তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাত হয়েছিল। ২০০৪ সালে তারেক রহমান তাদের বলনে, একশন এবং বিস্ফোরণে যাওয়ার জন্য এগিয়ে যান। লুৎফুজ্জামান বাবর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, হ্যারিস চৌধুরী, এরপর প্রধানমন্ত্রীর সচিব, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জামায়াতে-ইসলামী মহাসচিব, তারপর এনএসআই মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. আবদুর রহিম এবং ডিজিএফআই পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজাকুল হায়দার চৌধুরী ছিলেন। যে বৈঠকে রাজধানীর বনানী হাওয়া ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। হামিদ হুজি, প্রভাবশালী লিড এর মধ্যে সহযোগিতার ফলাফল ছিল বিএনপি ও জামায়াত জোট, এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা, পুলিশ, জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই), ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টিলিজেন সিই (এনএসআই) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও)। এই তদন্তকারীদের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে ২১ আগস্ট হত্যা মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্র ডেইলি স্টার জুলাই মাসে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের এ...

রিফাতের পাশাপাশি নয়নের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখতেন মিন্নি

‘ বরগুনায় রাস্তায় ফেলে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান সাক্ষী ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন আবেদন ফেরত নিয়েছেন তার আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার জামিন শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেছেন, মিন্নি ছিলেন রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। স্বামী রিফাত শরীফের পাশাপাশি ‘প্রেমিক’ নয়ন বন্ডের সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক করতেন মিন্নি। কলেজে যাওয়ার নাম করে নয়নের বাসায় যেতেন মিন্নি।বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ব্রেন্চে জামিন শুনানি করা হয়। আদালতে মিন্নির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ অর্ধশতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির শুনানি করেন।৷ এ সময় মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফও উপস্থিত ছিলেন। বিকাল ৩টায় আদালত শুরু হলে প্রথমে জামিনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন মিন্নির আইনজীবী জেডআই খান পান্না। জামিনের বিরোধিতা করে যুক্তি উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত ...

আদর্শ খামারি হতে

পড়াশোনা শেষ করে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা গতানুগতিক চাকরি বা ব্যবসার আশায় বসে থাকে। এ সকল চাকরি বা ব্যবসার আশায় না থেকে আমরা যদি নিজেরাই আত্মকর্মসংস্থানের জন্য কিছু গঠনমূলক কাজ করি তাহলে আমাদের ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে সমাজকেও আমরা কিছু উপহার দিতে পারব। এজন্য দরকার আত্মবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা। সমাজে এমন অনেক ব্যতিক্রমী পেশা রয়েছে যেখানে একটু পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সফলতা দরজায় এসে কড়া নাড়বেখামার করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে: ১) মন থেকে উত্তর বের করুন গরুর প্রতি অথবা জীবিত প্রাণীর প্রতি আপনার ভালোবাসা আছে কিনা। মাটি ও মানুষের প্রতি আপনি ভিতর থেকে আকর্ষণ অনুভব করেন কিনা। শুধুমাত্র লাভের আশায় কখনো খামার করবেন না। জীবিত প্রাণীর প্রতি মমতা না থাকলে থাকলে আপনি কোনোদিনই খামারী হতে পারবেন না। ২) খামার করার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একবার ভালো করে ভাবুন, আবার ভাবুন, এরপর আবার। এরপর একটা প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনি যেটা শুরু করতে চাইছেন সেটার ফলাফল কেমন হতে পারে ভালো করে চিন্তা করুন। অন্যের কথায় কোন সিদ্ধান্ত নিবেন না। নিজের বিবেকবুদ্ধি ও মেধা ব্যবহার করে সি...
Image
যত্রতত্র, মানহীন ও অননুমোদিতভাবে প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে না দেয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ‘নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিব ন্ধী (এনডিডি) সম্পর্কিত সমন্বিত/বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯’ এবং ‘নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) ব্যতীত প্রতিবন্ধী সম্পর্কিত সমন্বিত/বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯’-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।‘এখানে দুটি নীতিমালা, প্রচলিত যে নীতিমালাগুলো রয়েছে- শিক্ষানীতি থেকে শুরু করে অন্যান্য নীতির সঙ্গে সমন্বয় করে এ নীতিমালাটি করা হয়েছে।’এ নীতিমালার আওতায় প্রতিবন্ধীদের জন্য কী আলাদা স্কুল করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মূল ধারার সাথে সমন্বয় করে করার জন্য বলা হয়েছে। অন্যান্য দেশে যেভাবে হয়; যেমন- নরমাল স্কুলে যদি প্রতিবন্ধীরা পড়ে তাহলে তাদের ডেভেলপমেন্টটা ভালো হয়। তবে একান্তই ...

প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে অনুমোদন লাগবে

Image
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম   Published: 2019-08-19 20:24:35 BdST প্রতিবন্ধীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে একটি নীতিমালার খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মানহীন ও অনুমোদন ছাড়া প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে না দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নীতিমালায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমাবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়া নীতিমালাটি অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি বলেন,“নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) সম্পর্কিত সমন্বিত/বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯’ এবং ‘নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) ব্যতীত প্রতিবন্ধি সম্পর্কিত সমন্বিত/বিশেষ শিক্ষা নীতিমাল ২০১৯’-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। “এখানে দুটি নীতিমালা, প্রচলিত যে নীতিমালাগুলো রয়েছে- শিক্ষা নীতি থেকে শুরু করে অন্যান্য নীতির সাথে সমন্বয় করে এ নীতিমালাটি করা হয়েছে।” এ নীতিমালার আওতায় প্রতিবন্ধীদের আলাদা স্কুল করা যাবে কি না- জানতে চাইলে মন্...

নির্ঘুম অত্যাচারে আজি

আজও ঘুমটা হলো না, বিছানা ছেড়ে দিয়ে চায়ের জন্য সোজা রান্নাঘরে। চা বানিয়ে কাপটা হাতে নিয়ে বেলকুনিটাতে, আমার সেই দোলনা চেয়ার টায়। তবে দোল খেতে নই, চায়ের কাপটায় চুমুক দিতে দিতে  তাকালাম সেরিকালচার এর ভিতরের অদ্ভুত নীরবতার দিকে। কান পেতে শোনার চেষ্টা করলাম ঝিঝিপোকার ডাক আর রাতে শেষ প্রান্তে শিয়ালের হুক্কি হুয়া আর পাখির কিছিমিছির কেচকেচানে আর ভালো লাগে না। বলে রাখা ভালো, আমি এখন যে বাসাটাই ভাড়া উঠেছি, বাসাটি সেরিকালচার এর ভিতরের ফাঁকা জায়গা টির ঠিক দক্ষিণ পাশে।আর আমার আপার্টমেন্ট টা বাসাটির ঠিক উত্তর পাশের। আমার বেলকুনিটা ঠিক সেরিক্যাচার   এর ভিতরের সমস্ত ফাঁকা জায়গার সাধ গ্রহনের যেন মধ্যমনি। তাই পরিবার হীন আমার নিংশঙ্গ জীবনকে কাটানোর মত একটা অংশ বনে গেছে বাসাটি। তিন রুম, দুই টয়লেট,রান্নারুম, ড্রাইনিং সব মিলে মোটামুটি অনেক বড়ই বাসাটি। কিন্তু বাস করি আমি একা৷ কেউ নেই যেন কোথাও। কি নেই আমার?  কেন আমি একা? আমার জীবনের সব থেকে ভুল দিক কোনগুলো? জীবনে যাদের নিজের চেয়ে বেশী ভালোবাসা দিলাম,আজ অবেলায় কেনই বা তাদের রাখতে পারলাম না পাশে? হাজারে প্রশ্নের বেড়াজালে নিজেকে বার বার বিদ্...

দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনে

Image
দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনের একটি ছোট্ট ফিরিস্তুি আজকের যুবসমাজের কাছে তুলে ধরতে চায়।যারা  এ জাতীর নতুন প্রজন্ম। আগামী দিনের কান্ডারী, যে ইতিহাস বঙ্গবন্ধুকে এ জাতীর পিতা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদানে অনীহা করে, নিজেদের ফায়দা লুটার জন্য যারা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শের কথা নিয়ে মতভেদ থাকে, এদেশে বাসের অধিকার তাদের কি করে হয়, জানতে ইচ্ছে করে, বিরোধিতা মানে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথেও।                                জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাভোগ করেছেন। এর মধ্যে স্কুলের ছাত্র অবস্থায় ব্রিটিশ আমলে সাত দিন কারা ভোগ করেন। বাকি ৪ হাজার ৬৭৫ দিন তিনি কারাভোগ করেন পাকিস্তান সরকারের আমলে। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বসেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে বঙ্গবন্ধুর একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহচর তোফায়েল আহমেদ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের ১৪টি বছর কারাগারে ছিলেন। তিনি ১৯৩৮ সালে প্রথম কারাগারে যান। এরপর ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্য...
Image
বিশ্ববন্ধু’ উপাধি পেলেন বঙ্গবন্ধু ছবি- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বিশ্ববন্ধু’ আখ্যা দিয়েছেন জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের আলোচকরা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় জাতিসংঘের কনফারেন্স রুম-৪ এ আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেন জাতিসংঘের সদস্য দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা, নিউ ইয়র্কস্থ যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার মানবাধিকার কর্মী, লেখক, চলচিত্র শিল্পী, টিভি উপস্থাপক, ফটোগ্রাফার এবং প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্টজনেরা। খবর বাসস। বঙ্গবন্ধুকে ‘ফ্রেন্ড অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ বা ‘বিশ্ব বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেন জাতিসংঘের সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল করিম চৌধুরী।  এ সময় তিনি জাতির পিতার সঙ্গে তার কর্মজীবনের নানা ব্যক্তিগত স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে তুলে ধরা, বহুপাক্ষিকতাবাদকে এগিয়ে নেওয়াসহ আন্তর্জাতিক অ...

বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন: আমু #

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, খন্দকার মোশতাক বাইরের কোনো লোক ছিলেন না। খন্দকার মোশতাক কে ছিলেন? মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন। কাজেই আমাদের এখনো সতর্ক হতে হবে। আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আমির হোসেন আমু এ কথা বলেন। সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, আমাদের নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে হবে, খন্দকার মোশতাক কে ছিলেন? মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন। এই মোশতাকই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হোন। মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই জাতীয় চার নেতাকে কারাগারে বন্দি করে পরে ৩ নভেম্বর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমু বলেন, আমাদের নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে হবে, খন্দকার মোশতাক কে ছিলেন? মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন। এই মোশতাকই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হোন। মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে অস্বীকৃত...

বাকশাল কি একদলীয় শাসন ছিল?

আবদুল মান্নান ৩১ মার্চ, ২০১৯ ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি জাতীয় সংসদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ, সংক্ষেপে বাকশাল প্রবর্তন করেন আর একই বছর ১৫ই আগস্ট তাঁকে তাঁর নিজ বাড়িতে সপরিবারে হত্যা করা হয়। হত্যার আগ পর্যন্ত বাকশালের সাংগঠনিক ভিত্তি তেমন একটা মজবুত হয়নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর থেকে যখনই তাঁর শাসনামলের কথা ওঠে তখনই এক শ্রেণির রাজনীতিবিদ, ‘সুধী’ ব্যক্তি তাঁর শাসনামলের সাড়ে তিন বছরের অর্জনগুলোর কথা আলোচনা না করে সরাসরি বাকশাল বিষয়ে চলে যান এবং বলেন, শেখ মুজিব গণতন্ত্রকে হত্যা করার জন্য বাকশাল নামক একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করেছিলেন এবং কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবটা হচ্ছে, বাকশাল বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় এবং বাকশাল ব্যবস্থা একটি ধারণাতেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। এটির ভালো-মন্দ বিচার করার মতো তেমন কোনো উদাহরণ ইতিহাসে নেই। আর যেকোনো ব্যবস্থা একটি সময়ের নিরিখে বিচার করাটা সমীচীন। একটা সময়ে যা বাস্তব ও প্রয়োজন ছিল তা অন্য সময়ে না-ও থাকতে পারে। যেমন—রুশ বিপ্লবের পর রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে লেনিন যে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার ...

বিশ্বনেতাদের চোখে বঙ্গবন্ধু

শরিফুজ্জামান, ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জন্ম: ১৭ মার্চ ১৯২০। মৃত্যু: ১৫ আগস্ট ১৯৭৫। ছবি: আলহাজ জহিরুল হককেউবা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন, কেউবা মুগ্ধ তাঁর ব্যক্তিত্বের কথা জেনে। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি দেখে, তাঁর সাদাসিধে জীবনযাপনের কথা জেনে কেউ কেউ রীতিমতো বিস্মিত। অনেকেই আবার বলেছেন, তিনি শুধু বাংলাদেশের নেতাই ছিলেন না, ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁকে বিশ্বের অন্যতম আলোচিত নেতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন কেউ কেউ। বঙ্গবন্ধুকে এভাবে যাঁরা স্বীকৃতি দিয়েছেন, সম্মান দেখিয়েছেন বা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন, তাঁদের কেউই এ দেশের নাগরিক নন। তাঁরা বিশ্বনেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান অথবা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। বাংলাদেশ সফরে এসে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর দেখার পর তাঁরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে নিজের হাতে মন্তব্য লিখেছেন। এসব মন্তব্য হয়ে উঠেছে জাদুঘরের মূল্যবান সম্পদ। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া জানা বা বোঝার সুযোগ থাকলেও বিশ্বনেতা বা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মন্তব্য দেখার সহজ সুযোগ নেই। এসব মন্তব্য সযত্নে তুলে রাখা হয়। প্রণব ও মোদির চোখে বঙ্...
আজ জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতাবিরোধীদের চক্রান্তে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সপরিবারে নিহত হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক নেতা, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশের জাতির জনক হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে এদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারণের কাছে তিনি ১৯৬৯ সালে 'বঙ্গবন্ধু' উপধিতে ভূষিত হন। আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনে দেয়া ২০টি উক্তি দেয়া হল: ১. এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম! ২. গণআন্দোলন ছাড়া, গণবিপ্লব ছাড়া বিপ্লব হয় না। ৩. অযোগ্য নেতৃত্ব, নীতিহীন নেতা ও কাপুরুষ রাজনীতিবিদদের সাথে কোন দিন একসাথে হয়ে দেশের কাজে নামতে নেই। তাতে দেশসেবার চেয়ে দেশের ও জনগণের সর্বনাশই বেশি হয়। ৪. আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালবাসি, সবচেয়ে বড় দূর্বলতা আমি তাদেরকে খুব বেশী ভালবাসি। ৫. যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তত, কেউ তাকে মারতে পারে না। ৬. যখন তুমি কোন...