রাজশাহী বাসী কি আরও একটি নতুন চমক দেখতে যাচ্ছেন?
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া এই দলের আগামী দিনের জাতীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলের ভিতরে বাহিরে চলছে নানা রকম জল্পনা কল্পনা। দলের সভাপতি পদটি নিশ্চিত হলেও দলের আগামী দিনের সাধারণ সম্পাদক পদে কে আশছে তা নিয়েই এমন আলোচনা।।
দলের পর পর দুই বারের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক
ওবায়দুল কাদেরর হাট্রিক নাকি আসছে নতুন কোন মুখ?
২০০৯ সালে দলের জাতীয় সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক হন জাতীয় চার নেতার উত্তরসূরী প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তখনও এই পদটিতে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের জোরালো আলোচনা ছিল। সৈয়দ আশরাফ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনের পর ওবায়দুল কাদের এই পদে আসেন ২০১৬ সালে। গত দুই সম্মেলনে ওবায়দুল কাদেরের পাশাপাশি দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের নামও জোরালোভাবে আলোচনায় ছিল।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই এবার সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুর রাজ্জাকের সম্ভাবনা দেখলেও, অনেকেই এবারের জাতীয় সম্মেলনে জাতীয় চার নেতার অন্যতম এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সুযোগ্য পুত্র, রাজশাহীর নগর পিতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জনাব এ এইচ এম খায়রুজ্জামানের নামও জোরালো ভাবেই শোনা যাচ্ছে। । এর বাইরে সাধারণ সম্পাদক হতে আগ্রহী আরও কয়েকজন নেতা নানাভাবে সক্রিয় আছেন। তাঁরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। কেউ কেউ দলের বিভিন্ন জেলার বিভেদ মেটাতে উদ্যোগী ভূমিকা রাখছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক, মাহবুব উল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, দীপু মনি ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
তবে দলীয় সূত্রে এবং দলের হাইকমান্ডের অনেকের মতে জানা যায়, গত জাতীয় সম্মেলনের আগে দলের সাংগঠনিক পর্যায়ের কয়েকজন নেতাও সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ছিলেন। এর মধ্যে বর্তমান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী অন্যতম। এবার তিনি কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেই। তবে আলোচনায় আছেন। নতুন করে আলোচনায় যুক্ত হয়েছেন দুই সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ ও মির্জা আজম। এর বাইরে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের সম্ভাবনাও দেখছেন কেউ কেউ।

Comments
Post a Comment