বাগমারার বহুল আলোচিত সেই বিলসেতী বিলে
বাগমারার বড় বিহানলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তরুণ প্রজন্মের কাছে অতীব শ্রদ্ধা,, ও ভালোবাসার নাম জনাব মাহমুর রহমান মিলন ভাই।।
তিনি উনার ইউনিয়নের বাগমারা উপজেলার বহুল আলোচিত বিলসেতি বিল নিয়ে তার ফেসবুক পেজে একটি পোষ্ট দেন।সেখানে তিনি, আন্তরিকতার সাথে বিষয়টির মিমাংসার মাধ্যমে এলাকায় শান্তি স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষের এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টিি কামনা করেন।জনস্বার্থে পোস্টটিহুবুহু তুলে ধরা হলো।
বাগমারার বিলসেতী বিলে প্রাকৃতিক ভাবে শতশত বছর থেকে দেশি মাছের আধার।অত্র বিলের চারপাশের মানুষের ধান ও অন্যান্য খাদ্যশষ্য সহ দেশি মাছের যোগানদাতা এই বিলসেতি বিল।
বাগমারার বেশিরভাগ বিলই ধানি জমিতে পুকুর খনন ও মাছের প্রজেক্ট করার ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারাচ্ছে এবং নগদ পুঁজির লোভে দেশি মাছ দিন দিন আশ্রয় হারাচ্ছে আর তার ফলে বেকার হয়ে পড়ছে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা শতশত জেলে পরিবার।
বিগত বছর দুয়েক থেকে এই বিলে প্রজেক্ট করার চেষ্টা হলে ও এখন ও সফল হয়নি,কিন্তু বিলের মাঝে কিছু খাস জমি সরকারি ভাবে একটি সমিতিকে লিজ প্রদান করা হলে কিছু স্বার্থান্বেশী মানুষ সমস্ত বিলেই এ বছর পানি কমে যাওয়ার পর থেকে স্হানীয় জেলেদের মাছ ধরাতে বাঁধা প্রদান করছে।
বিষয়টি মৎস্যজীবিরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমাকে জানালে প্রথমে উপজেলার মাসিক মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করি এবং পরে আমি মাননীয় জেলা প্রশাসকের মহোদয় বাগমারা উপজেলাতে জনসাধারণের সমস্যা শোনার জন্য গনশুনানির আয়োজন করলে মৎস্যজীবিদের সঙ্গে করে ইউএনও মহোদয়ের উপস্হিতিতে বিষয় লিখিত আকারে জানাই।
পরবর্তীতে জেলা প্রসাষক মহোদয় ও ইউএনও মহোদয় জেলেদের কে আস্বস্ত করেন যে "সরকার কতৃক ইজারা প্রদানকৃত অংশ ব্যাতিত বাদবাকি বিল মৎসজীবি তথা জনসাধারণের মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত থাকবে"।
আমি আশাবাদী যে মাননীয় এমপি মহোদয়,জেলা প্রশাসক মহোদয়,ইউএনও মহোদয় এবং উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়সহ প্রশাসন জনগনের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতঃ সঠিক ব্যবস্হা গ্রহন করে শতশত জেলে পরিবারকে তাদের অধিকার রক্ষায় সহযোগিতা করবেন এবং প্রাকৃতিকভাবে দেশি মাছের এই বিরাট অভয়াশ্রমকে রক্ষা করবেন।
তিনি উনার ইউনিয়নের বাগমারা উপজেলার বহুল আলোচিত বিলসেতি বিল নিয়ে তার ফেসবুক পেজে একটি পোষ্ট দেন।সেখানে তিনি, আন্তরিকতার সাথে বিষয়টির মিমাংসার মাধ্যমে এলাকায় শান্তি স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষের এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টিি কামনা করেন।জনস্বার্থে পোস্টটিহুবুহু তুলে ধরা হলো।
বাগমারার বিলসেতী বিলে প্রাকৃতিক ভাবে শতশত বছর থেকে দেশি মাছের আধার।অত্র বিলের চারপাশের মানুষের ধান ও অন্যান্য খাদ্যশষ্য সহ দেশি মাছের যোগানদাতা এই বিলসেতি বিল।
বাগমারার বেশিরভাগ বিলই ধানি জমিতে পুকুর খনন ও মাছের প্রজেক্ট করার ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারাচ্ছে এবং নগদ পুঁজির লোভে দেশি মাছ দিন দিন আশ্রয় হারাচ্ছে আর তার ফলে বেকার হয়ে পড়ছে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা শতশত জেলে পরিবার।
বিগত বছর দুয়েক থেকে এই বিলে প্রজেক্ট করার চেষ্টা হলে ও এখন ও সফল হয়নি,কিন্তু বিলের মাঝে কিছু খাস জমি সরকারি ভাবে একটি সমিতিকে লিজ প্রদান করা হলে কিছু স্বার্থান্বেশী মানুষ সমস্ত বিলেই এ বছর পানি কমে যাওয়ার পর থেকে স্হানীয় জেলেদের মাছ ধরাতে বাঁধা প্রদান করছে।
বিষয়টি মৎস্যজীবিরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমাকে জানালে প্রথমে উপজেলার মাসিক মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করি এবং পরে আমি মাননীয় জেলা প্রশাসকের মহোদয় বাগমারা উপজেলাতে জনসাধারণের সমস্যা শোনার জন্য গনশুনানির আয়োজন করলে মৎস্যজীবিদের সঙ্গে করে ইউএনও মহোদয়ের উপস্হিতিতে বিষয় লিখিত আকারে জানাই।
পরবর্তীতে জেলা প্রসাষক মহোদয় ও ইউএনও মহোদয় জেলেদের কে আস্বস্ত করেন যে "সরকার কতৃক ইজারা প্রদানকৃত অংশ ব্যাতিত বাদবাকি বিল মৎসজীবি তথা জনসাধারণের মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত থাকবে"।
আমি আশাবাদী যে মাননীয় এমপি মহোদয়,জেলা প্রশাসক মহোদয়,ইউএনও মহোদয় এবং উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়সহ প্রশাসন জনগনের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতঃ সঠিক ব্যবস্হা গ্রহন করে শতশত জেলে পরিবারকে তাদের অধিকার রক্ষায় সহযোগিতা করবেন এবং প্রাকৃতিকভাবে দেশি মাছের এই বিরাট অভয়াশ্রমকে রক্ষা করবেন।

Comments
Post a Comment