বিএনপি'র ইউপি সদস্য রফিক ত্রাসে আবারো উত্তপ্ত নরদাশ ইউনিয়ন
রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার ০২ নং নরদাশ ইউনিয়নের বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম রফিক একজন মামলাবাজ ও থানার দালাল হিসাবে এলাকাবাসীর কাছে এক আতংকের নাম বলে সূত্রে জানা যায়। এলাকাবাসী জানান, থানার দাপট দেখিয়ে এলাকায় এহেন কোন অপরাধ নাই যা তার এবং তার বাহিনীর দ্বারা অসম্ভব। এলাকার মানুষকে মিছে হয়রানি ও মামলা দিয়ে ফঁাসানোর প্রতিবাদে গত ৩ জুলাই নরদাশ হাইস্কুল মাঠে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।নরদাশ গ্রামের রহিম বক্স এর ছেলে রফিক কয়েকদিন আগেও দিনমজুরের কাজ করলে ওর নিজস্ব ২৫থেকে ৩০ জনের বাহিনীর পুষে পুকুরসহ এলাকার সরকারি মালিকানাধীন বিভিন্ন জলাশয়ে জোর করে দখল করে
মাছ চাষ করে ও এলাকার বিভিন্ন অসহায় মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যায় এই রহিম বক্স এর ছেলে রফিকুল ইসলাম রফিক।সে নিজে এবং তার বাহিনী দ্বারা এলাকার ছোট থেকে বড় বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের গায়ে হাত তুললো এক অদৃশ্য শক্তির আড়ালে থেকে পার পেয়ে যান এই রফিক তার বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগপত্র দায়ের করার ক্ষমতা রাখে না কেউই
অবৈধভাবে সরকারি খাল দখল করে বাঁধ নির্মাণ করে এলাকার হাজার হাজার কৃষকের ক্ষতিসাধিত করলে প্রতিবাদ করায় চার বারের নির্বাচিত এবং বর্তমান ইউপি সদস্য সেকেন্দের আলি কে রাতের আধারে বেধড়ক মারপিট করে এবং উনার ছেলে বাগমারা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার চাষকৃত কোলাবিল জোর করে দখল করে এবং কোলার বিলের কোটি টাকার মাছ মেরে টাকা আত্মসাত করে।
অবৈধ ভাবে নির্মান করা বাঁধটি প্রশাসনের বাধার মুখে, প্রশাসন বাঁধটি ভেঙ্গে দিলেও তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব জাকিউল ইসলাম স্যারের উপর মামলা করে বহাল তরিয়তে বাঁধটি নির্মাণ করে। যে বাঁধটি কোলাবিল ও হাতিয়ার বিলের মাঝপথে চন্ডিপুর গ্রামের ব্রিজের পাশে নির্মাণ করা হয় এবং পানি আটকে এলাকার হাজার হাজার কৃষকের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে তবুও যেন দেখার কেউ নেই।
এলাকার চন্ডিপুর গ্রামের মইজুদ্দিন (৬৮),শামসুদ্দিন (৬২),মান্নান (৪২),উৎপল (৩২),মান্নান (৪৫) রফিক (৫৫)সহ এলাকার ২৫-৩০ জন মানুষকে মারপিট মামলা দিয়ে হয়রানি করলেও কেউ কিছু বলে না বা তার ভয়ে মুখ খোলার সাহস কারো নেই। রফিকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসীসংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার অপকর্মের কথা তুলে ধরেন এবং অতি শীঘ্রই রফিকের অত্যাচার ও মামলা হামলা থেকে পরিত্রান পেতে পুলিশ প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।


Comments
Post a Comment