বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন: আমু #
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, খন্দকার মোশতাক বাইরের কোনো লোক ছিলেন না।
খন্দকার মোশতাক কে ছিলেন? মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন। কাজেই আমাদের এখনো সতর্ক হতে হবে।
আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আমির হোসেন আমু এ কথা বলেন।
সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, আমাদের নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে হবে, খন্দকার মোশতাক কে ছিলেন? মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন। এই মোশতাকই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হোন। মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই জাতীয় চার নেতাকে কারাগারে বন্দি করে পরে ৩ নভেম্বর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
আমু বলেন, আমাদের নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে হবে, খন্দকার মোশতাক কে ছিলেন? মোশতাক আওয়ামী লীগেরই নেতা ছিলেন। এই মোশতাকই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হোন। মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই জাতীয় চার নেতাকে কারাগারে বন্দি করে পরে ৩ নভেম্বর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, দলকে ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, আগের চেয়ে আমাদের এখন আরো বেশি ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে যে অপশক্তি হত্যা করেছে সে শক্তি কিন্তু এখনো বসে নেই। তাদের ষড়যন্ত্রও থেমে নেই।
এখন গোটা বিশ্বের যে কয়েকজন নেতার নাম উচ্চারিত হয়, শেখ হাসিনা তাদের মধ্যে অন্যতম। কাজেই এখন আমাদের দলকে আরো বেশি ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। পঁচাত্তরের খুনিচক্র যাতে আবার কোনো ছোবল হানতে না পারে, আমাদের আরো বেশি সতর্ক থাকতে হবে
ঘরের শত্রু বিবিশন
ReplyDelete