এইতো বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা,

 টানা তিন বারের মত রাষ্ট্র ক্ষমতায় আছে বঙ্গবন্ধুর সেই আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরপর তিনবার হ্যাটট্রিক বিজয়ের মাধ্যমে সরকার পরিচালনা করেছেন এবং তিনি অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করে তার দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশকে যেভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাতে বিশ্বের অনেকেই এখন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বের একটা মডেল হিসেবে চিন্তা করতেছে।

 শেখ হাসিনা সরকারের পরপর তিনবার হ্যাটট্রিক বিজয় তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করার নিয়ে অনেকেই অনেক ধরনের মন্তব্য থাকতেও জননেত্রী শেখ হাসিনা সবকিছু ম্যানেজ করে সবকিছুকে নিজের মেধা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা কাজে লাগিয়ে যেভাবে একের পর এক  দেশের উন্নয়নকল্পে যে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করে চলেছেন এবং দেশকে কলঙ্কমুক্ত করার জন্য বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের আওতায় এনে ফাঁসি দেওয়া থেকে শুরু করে সেই একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকারদের বিচারের ব্যবস্থা করে এবং তাদেরকে তাদের সেই রায় কার্যকরের মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্ম সহ বাংলার আপামর জনসাধারণের যে আস্থা তিনি অর্জন করেছিলেন তা আস্তে আস্তে আরও বেশি দৃঢ় হচ্ছে বলেই বাংলার আপামর জনসাধারণ সহবিশ্ববাসী মনে করে।
 বর্তমানে যখন রোহিঙ্গার বিষয় নিয়ে এবং রোহিঙ্গারা বিভিন্ন জঙ্গি কর্মকাণ্ড সহ বিভিন্ন পতিতা পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়ার নিয়ে এবং সেই সাথে সেই শোভন-রাব্বানী সেই ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতির নিয়ে যখন তোলপাড় অবস্থা ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দীর্ঘদিনের একটা চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে তাদের ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করে সেই কমিটি গঠন করে তারা দলকে আরও শক্তিশালী করে এবং বর্তমান সরকারের এই ইস্যুগুলোকে কাজে লাগিয়ে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জনগনকে রাজপথে নামিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে তাদের অধিকার আদায়ের একটা অভিপ্রায় নিয়ে আবার নতুন করে সজ্জিত হওয়ার চেষ্টা করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তেই জননেত্রী শেখ হাসিনা তার দাবার চাল টাকে উল্টোদিকে দিয়ে তাদের সমস্ত প্ল্যান ভেস্তে দিয়েছেন বলেই তারা নিজেরা সহ বাংলাদেশের সুশীল সমাজ মনে করে।
 বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো কোনটাই ঘুষ দুর্নীতি টেন্ডারবাজি চাঁদাবাজির ঊর্ধ্বে নয় তবে শেখ হাসিনা সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে দল দলের নেতাকর্মীরা দলের সাথে সম্পৃক্ত কোন বড় ধরনের কোন নেতা বা কোন দলের জন্য সর্বোচ্চ বড় কোন ডোনার এসব চিন্তা না করে তিনি একজন ব্যক্তির চেয়ে দল বড় আবার দলের চেয়ে দেশ বড় এই নীতিতে নিজের দলের মধ্যে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করে চলেছেন তা দল-মত নির্বিশেষে সকলের কাছেই এটা একটা গ্রহণযোগ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোন রাষ্ট্রনায়ক তার নিজের দলের রাঘববোয়ালদের কে নিজ হাতে ধরে জেলখানায় ঢুকিয়ে দিচ্ছে এবং নিজ হাতে তাদের বিচারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে, এটা একটা নজিরবিহীন ঘটনা। বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে শেখ হাসিনার এই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন লক্ষ্য করতেছে এবং এখান থেকে যে বার্তা বিশ্ববাসী পাচ্ছে সেটা আসলে আগামীর শান্তির বিশ্ব গড়ার বার্তা।
 দুর্নীতিগ্রস্ত একটি দেশ কখনোই উন্নয়নের শিখরে বুঝতে পারবে না অর্থাৎ যারা দেশ পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত এবং যারা দেশের রক্ষক তারা যদি ভক্ষক হয়, তারা যদি দেশের সম্পদ দেশের মানুষের উপকারে ব্যয় না করে, নিজের স্বার্থসিদ্ধির অথবা রাজকীয় ভাবে চলার জন্য নিজের পরিবারের সুখ শান্তির জন্য ব্যবহার করে তাহলে সেই রাষ্ট্রের কখনোই অতি সহজে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয় অর্থাৎ সেই দেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সত্যিই দুঃসাধ্য তাই জননেত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছিলেন ঠিক তেমনি নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ছাত্রলীগ যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ অথবা অথবা আওয়ামী লীগের মধ্যে যেসব এমপি-মন্ত্রীরা এই ধরনের সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করে অথবা বিভিন্ন ধরনের টেন্ডারবাজি চাঁদাবাজি অস্ত্রবাজিসহ জমি দখল বা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের নজির রয়েছে অপমান করেছে বা গোয়েন্দা রিপোর্টে তার সুনির্দিষ্ট সুনির্দিষ্ট তথ্য উপাত্ত আছে তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সে যেই হোক না কেন এবং আমার ছেলে হোক না কেন এটাই আমার অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকারে এই আমি দেশবাসীর কাছে তৃতীয়বারের মতো ভোট চেয়েছিলাম এবং দেশবাসীর আমার উপর রাগ তারিখে আমাকে বিপুল ভোটে আমার প্রতিনীধিদের সংসদে পাঠিয়ে তিনি তারা আবারো আমাকে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ করে দিয়েছেন সুতরাং সেই অভাগা জনগণের সেই অভাগা বাঙালির যে বাঙালির জন্য আমার পিতা আজন্ম তার জীবন যৌবন রাজপথ কারাগারে কাটিয়েছেন সেই দুঃখী বাঙালির মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আমি হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়েছি ১৯৮১ সালে এই বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলাম সেই দিন থেকে এখন পর্যন্ত যতবার সরকারি এসেছি চেষ্টা করেছি পিতার রেখে যাওয়া এই ভাঙ্গাচুরা অসহায় রাষ্ট্রটিকে তার সোনার বাংলার তার স্বপ্নের সোনার বাংলা রূপান্তরিত করার জন্য এবং তার সেই অভাগা প্রিয় বাঙালির মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তারা যেন দিন তিন বেলা পেট ভরে খেতে পারে। তারা যেন রাতের বেলা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে। তারা যেন রাস্তাঘাটে চলাফেরা ভয়-ভীতি ছাড়াই করতে পারে এবং তারা যেন কোনো সন্ত্রাসী জঙ্গিবাদ অপশক্তির কাছে মাথা নত না করে এবং কেউ যেন এই অভাগা বাঙালির রক্ত চুষে খেয়ে, দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক বড় বড় নেতা হতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই আমি কাজ করে যাচ্ছি এবং আগামীতেও সেই লক্ষ্যেই আমি কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ। এই হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যয় প্রত্যাশা।
 তিনি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন যেমন মমতাময়ী মা তিনি যেমন করে বাংলাদেশের অসচ্ছল গরিব দুঃখী অসহায় এতিম প্রতিবন্ধীদের ভালোবেসে তাদের জন্য নানাবিধ ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করে তিনি যেমন বিশ্বমানবতার বিবেক এর জায়গা দখল করে নিয়েছেন তিনি যখন বিশ্বে মাদার অফ হিউম্যানিটি হিসেবে খেতাব প্রাপ্ত হয়েছেন ঠিক তেমনি তিনি আবার যে কতটা কঠিন রাষ্ট্রনায়ক এবং সময় সময় প্রয়োজনে দেশের প্রয়োজনে তিনি যে কত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন মুহূর্তের মধ্যেই তা তিনি বুঝিয়ে দিলেন এবং তিনি তার দলের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে স্পষ্ট একটি বার্তা দিলেন যে, যায় করুন আপাতত কোনো দুর্নীতিকে আমি কখনোই আশ্রয় প্রশ্রয় দেবো না। কোন টেন্ডারবাজদের, লোকদের উপর অত্যাচার কারীদের আমি কখনই আমার কাছে জায়গা দিব না এটা আমার পরিষ্কার বার্তা।

 এইতো বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা, এইতো বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া বাঙ্গালীদের জন্য শেষ সম্বল শেষ উপহার। যিনি যদি বেঁচে না থাকতেন তাহলে হয়তোবা আমরা আজকের এই বাংলাদেশ আরো সামনে 50 বছরেও হয়তোবা দেখতে পেতাম কিনা সন্দেহ। তাই বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বিধাতা আরো দীর্ঘায়ু দান করুক এবং তাকে এই ভাবেই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাওয়ার তৌফিক দান করুক এবং গোটা বিশ্বের একটা মডেল হিসেবে তার পিতা বঙ্গবন্ধুর মতোই একটা বিশ্ব নায়ক হিসেবে ইতিহাসের বুকে জায়গা করে নিল এগুলো আমার কামনা আমার বাসনা আমার পরিপূর্ণতা

Comments

Popular posts from this blog

এই সেইপ্রদীপসাহা

জামিন না পেয়ে কারাগারে পরীমণি

এ যে জীবন নামের মরন পুরী