সাহসী হোন,আশা রাখুন, খুব শিগগিরই সেরাটা পাবো , মোদি

অনেক আশা নিয়েই শুক্রবার রাতে বেঙ্গালুরুতে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, ইসরো’র চেয়ারম্যানও ছিলেন অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। শুক্রবার রাতে চেয়ারম্যানের এক ট্যুইটে ছিল সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। এগোচ্ছিলও সব পরিকল্পনা মতোই। কিন্তু, ল্যান্ডিং-এর শেষ ১৫টি মিনিট যে অত্যন্ত কঠিন একটা সময় ছিল, তা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের জানাই ছিল। প্রবল উত্‍‌কণ্ঠা ছিল সে কারণেই। তার মধ্যেই অবতরণের প্রথম ধাপ অতিক্রম করে, চন্দ্রপৃষ্ঠের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে যায় চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডার বিক্রম। সফল অবতরণের আশায় বিজ্ঞানীদের মধ্যে যখন তুমুল উদ্দীপনা, ঠিক সেই সময়েই ইসরোকে নিরাশ করে হারিয়ে গেল ‘বিক্রম’।পরে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে লেখেন, ‘আমাদের বিজ্ঞানীদের নিয়ে ভারত গর্বিত। তাঁর সবসময় তাঁদের সেরাটা দিয়ে দেশবাসীকে গর্বিত করেছেন। জীবনে এমন উত্থানপতন থাকেই। আশা ছাড়ছি না। মহাকাশ গবেষণায় আমরা কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাব।’ টাইমস অব ইন্ডিয়া/এনডিটিভি
বেঙ্গালুরুর গ্রাউন্ড স্টেশনে বিক্রমের সংকেত আর পৌঁছল না। চাঁদের মাটি থেকে তখন আর মাত্র ২.১ কিলোমিটার দূরে ছিল এই ল্যান্ডার। বিজ্ঞানীদের বিচলিত দেখে, ঠিক কী ঘটেছে জানতে চান নরেন্দ্র মোদী। আস্তে করে প্রধানমন্ত্রীর পাশে গিয়ে দাঁড়ান ইসরোর চেয়ারম্যান। নিচু স্বরে প্রধানমন্ত্রীকে দেন দুঃসংবাদ। বিক্রমের সঙ্গে সংযোগ ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ইসরোর। এমন সংবাদে যে কারও নিরাশ হওয়ারই কথা। মোদীও হয়েছেন, যে কারণে শ্রীহরিকোটায় আর বেশিক্ষণ থাকেননি। তবে, নিজের সেই হতাশা তিনি ব্যক্ত করেননি। উলটো সান্ত্বনা দিয়েছেন। উত্‍‌সাহিত করেছেন নতুন উদ্যমে ‘মিশন মুন’ লড়াইয়ের জন্য

Comments

Popular posts from this blog

এই সেইপ্রদীপসাহা

জামিন না পেয়ে কারাগারে পরীমণি

এ যে জীবন নামের মরন পুরী