পদত্যাগ করার জন্য এই শীর্ষ দুই নেতাকে নির্দেশ প্রদান, জননেত্রী শেখ হাসিনা
বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ আলোচ্য বিষয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের যে ধূলিস্যাৎ আমরা হতে দেখলাম অর্থাৎ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অন্যায় অত্যাচার বিভিন্ন ধরনের টেন্ডার চাঁদাবাজি মামলা হামলা মাদক শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সাথে অসৌজন্যমূলক ব্যবহার অসৌজন্যমূলক ব্যবহার এবং বিভিন্ন মিটিং-মিছিলে কেন্দ্রীয় নেতাদের পরে এসে হাজির হওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগে এক ঝাঁক অভিযোগ জমা হয়েছিল এই শোভন-রাব্বানী বিরুদ্ধে এবং সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যাকে বলা হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অভিভাবক তিনি যেহেতু নিজ হস্তক্ষেপে এই কমিটি ঘোষণা করেছিলেন সুতরাং তিনি একান্ত সিদ্ধান্তে আবার এই কমিটির পদত্যাগ করার জন্য এই শীর্ষ দুই নেতাকে নির্দেশ প্রদান করেন এবং নতুন সভাপতি হিসাবে ১নং সহ সভাপতি আল নাহিয়ান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১ নং যুগ্ম সম্পাদক যশোরের সন্তান লেখক ভট্টাচার্যকে নিযুক্ত করেন।
বিষয় টি নিয়ে বর্তমান স্যোসাল মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া এবং টিভি চ্যানেল ও ইউটিউবারা সহ সকলের একমাত্র মুল আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু তে আছে বিষয়টি।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জনগণের রাষ্ট্র পরিচালনায় যে অনেক দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে তিনি নিতে বাধ্য হন তিনি প্রয়োজনে অনেক কাছের লোক কেউ রাষ্ট্রের প্রয়োজনে দলের প্রয়োজনে নির্দ্বিধায় ত্যাগ করতে পারেন এমন একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করলেন এবং তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বাংলাদেশ পরিচালনা করছেন, এমন কথা তিনি বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের মিটিংয়ে এবং সভা সমাবেশে যে বারবার বলে আসছেন সেই বিষয়টি কেই তিনি জনগণের সামনে প্রমান করলেন। এতে দেশের সাধারন মানুষের একটা বিশেষ আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা বৃদি্ধ পেলো বলেই বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লষকরা মনে করছেন এবং বিএনপি সহ বিরোধী দলের অনেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছেও বিষয়টি অনেক ইতিবাচক হিসাবে ধরা হচ্ছে। এবং এর মাধ্যমে তিনি সকলকেই একটি ইতিবাচক রাজনীতি করার তীর ছুড়ে দিলেন যেন এটা সবার গায়ে লাগে এবং সবাই যেন দুর্নীতি থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখে।
সম্প্রতি সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি নিয়ে বেশী আলোচনা হচ্ছে সেটি হলো জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প হতে একটি বৃহৎ অংকের টাকা জেন্ডার প্রাপ্ত কোম্পানির কাছ থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্য চাঁদা আদায় করে দেওয়ার জন্য ভিসির বাসায় গিয়ে বলার বিষয়টি এবং ছাত্রলীগের জেলার অর্থাৎ জেলাওয়ারী কমিটি ঘোষণা র বিষয়ে আর্থিক লেনদেন।
আসলে এ দুটি বিষয়ের কোনটারই আসলে অন্তরালের সত্যটা এখনও জনসম্মুখে উঠে আসে নি।আসলে এটাই কি সবকিছু, নাকি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আছে তাদের বিরুদ্ধে কোন ভয়ংকর তথ্য প্রমাণ, যা তাদের প্রতি সহানুভুতি বা অন্য কোন সতর্ক সংকেত প্রদানের শেষ আস্থাটুকুও রাখতে ব্যার্থ হয়েছে নাকি অন্য কিছু?

Comments
Post a Comment